মানুষ নির্বিঘ্নে গ্রামে ফিরতে পারবে : আইজিপি

Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক: পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, তারা যে ব্যবস্থা নিয়েছেন, তাতে মানুষ নির্বিঘ্নে গ্রামে ফিরতে পারবে।

বুধবার দুপুরে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পরিস্থিতি পরিদর্শন করতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।

ড. জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, ঈদে মানুষ গ্রামের বাড়ি যাচ্ছে। নরমাল সময়ের চেয়ে এখন রাস্তায় গাড়ি বেশি আছে। রাস্তার ধারণ ক্ষমতা থাকে। সেই ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত হলে গেলে প্রেসার থাকবেই। রাস্তার ট্রাফিকিংটা একমাত্র পুলিশের এনফোর্সমেন্টের উপর ডিপেন্ট করে না। আরো অনেকগুলো সেক্টর কাজ করে।

তিনি আরো বলেন, ‘‘ঢাকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার রাস্তাগুলো আছে (ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা- ময়মনসিংহ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক) প্রত্যেকটা হাইওয়েতে স্পেশাল এ্যারেজমেন্ট করেছি, অতিরিক্ত জনবল দিয়েছি। সমন্বিতভাবে জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, রিজার্ভ পুলিশ সবাই মিলে ব্যবস্থা নিচ্ছি। বিভিন্ন জায়গায় কন্ট্রোলরুম স্থাপন করেছি, যাতে অপর সংস্থার সঙ্গে আমরা সমন্বয় করতে পারি। এর বাইরে আমাদের ওয়াচ টাওয়ার আছে, চেকপোস্ট আছে- সব কিছু মিলিয়ে আমরা মনে করছি, আমরা যে ব্যবস্থা নিয়েছি, তাতে মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের গ্রামে ফিরতে পারবে।’’

জাবেদ পাটেয়ারি আরো জানান, পোশাকে, সাদা পোশাকে পুলিশ নিয়োজিত রয়েছে। অজ্ঞানপার্টি, মলমপার্টি ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে তৎপরতা রয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু গ্যাং ধরা পড়েছে।

জনগণের উদ্দেশে পুলিশ প্রধান বলেন, রাস্তা-ঘাটে অপরিচিত কারো কাছ থেকে কিছু গ্রহণ করবেন না, কিছু খাবেন না।

এ সময় হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মো. আতিকুল ইসলাম, গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ছুটি শুরু হওয়ায় বুধবার ভোর থেকে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে মানুষ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে যাত্রা করেছে। ইতোমধ্যে গাজীপুর জেলার পোশাক কারখানাগুলো ঈদের ছুটি দিতে শুরু করেছে।

জেলার জয়দেবপুর রেল জংশনে এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তায় ঘরমুখী যাত্রীদের চাপ লক্ষ্য করা গেছে। ট্রেনের ছাদে চড়ে বহু যাত্রী বাড়ি যাচ্ছে। যে কোনো সময়ের চেয়ে মহাসড়কে বেশি যানবাহন দেখা গেছে। গণপরিবহনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত যানবাহন, এমনকি ট্রাকে ও পিকআপ ভ্যানে চড়ে মানুষ নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে।

ঢাকা থেকে বের হওয়ার রাস্তা টঙ্গী থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার এবং চৌরাস্তা থেকে ইপসা গেট পর্যন্ত (ঢাকায় প্রবেশের লেনে) প্রায় ৪ কিলোমিটার ধীরগতিতে যানবাহন চলতে দেখা গেছে।