লক্ষীপুরে শান্তির সুবাতাস বয়ে আনবে

Print Friendly, PDF & Email

মোহাম্মদ নুরুজ্জামান :

প্রসঙ্গঃ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফলাফল ২০১৮।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় আগস্ট ২০১৫ থেকে মার্চ ২০১৮ পর্যন্ত ০২ বছর ০৭ মাস কর্মকালীন তৎকালীন জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান চৌধুরি মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় আগামী প্রজম্মকে দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়নকে প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করে কাজ করেছি।এ সময় শিক্ষা বিভাগ, সম্মানিত শিক্ষকমণ্ডলী, ম্যানেজিং কমিটি ও অভিভাবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় পড়ালেখার মানোন্নয়নের পাশাপা্শি ছাত্র-ছাত্রীরা যেন সুনাগরিক হিসেবে বেড়ে উঠে, এজন্য শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের পৃথকভাবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য , জীবনাচার, ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ সংক্রান্ত অনুসরনীয় গাইডলাইন তৈরি করে প্রত্যেকটি শ্রেণিকক্ষে পৌঁছানো হয়েছে।

আমরা শতভাগ নকলমুক্ত পরিবেশে পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণ করার চেষ্টা করেছি। এ কাজে অনেকে শুরু থেকেই অসহযোগিতা করেছেন। তাদের মতে, পরীক্ষায় বেশি কড়াকড়ি করার ফলে পার্শ্ববর্তী জেলা ও উপজেলার তুলনায় লক্ষীপুর সদর উপজেলায় রেজাল্ট খারাপ হচ্ছে।আমরা বলেছি, পড়ালেখা করে ভাল রেজাল্ট করতে হবে, পরীক্ষায় নকল করার কোন সুযোগ দেও্য়া হবেনা। বেশিরভাগ ছাত্র-শিক্ষক- অভিভাবক অবশেষে আমাদের সাথে একাত্ম হয়েছেন। ফলাফল, সারাদেশে এবার পাশের হার কমলেও শতভাগ নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা দিয়েও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বেশিরভাগ স্কুল-মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা ভাল ফলাফল করেছে (ফলাফল কমেন্ট বক্সে)।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে পড়ালেখার যে ধারা তৈরি হয়েছে, আশাকরি আগামীতেও তা অব্যাহত থাকবে।আমরা লক্ষ্মীপুরে না থাকলেও আমাদের শুরু করা মানস্মমত শিক্ষা বাস্তবায়নের আন্দোলন লক্ষ্মীপুরবাসী ভালবেসে এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে আমার বিশ্বাস । আজকের এসব ছাত্র-ছাত্রীরা মানস্মমত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে একদা অশান্তির জনপদ লক্ষীপুরে শান্তির সুবাতাস বয়ে আনবে, এ প্রত্যাশা রইল।

ভাল থাকো প্রিয় লক্ষ্মীপুর। তোমার সন্তানেরা যেন থাকে দুধে-ভাতে

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক : সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সদর, লক্ষ্মীপুর।