‘আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে সিরিয়ায় হামলা হয়েছে’

Print Friendly, PDF & Email

রাসায়নিক অস্ত্রগার লক্ষ্য করে শনিবার সিরিয়ায় একসঙ্গে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। এই হামলাকে স্পষ্টভাবে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বলে দাবি করেছে সিরিয়ার সরকার।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সন্ত্রাসীরা ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স একসঙ্গে সিরিয়ার বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালিয়েছে। সিরিয়ার বিরুদ্ধে এই আগ্রাসনও ব্যর্থ হবে।

সরকারি বাহিনী ১২টার বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করেছে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।

সিরীয় সরকারের মূল মিত্র রাশিয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, এ ধরনের পদক্ষেপ পরিণতি ছাড়া শেষ হবে না।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস বলেছেন, প্রথম দফার বিমান হামলা শেষ হয়েছে। এর মাধ্যমে কড়া বার্তা দেয়া হয়েছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে বলেছেন, বলপ্রয়োগ ছাড়া বাস্তবিক কোনো বিকল্প ছিল না। এ হামলা সিরিয়ায় ক্ষমতার পালাবদলের জন্য নয়।

হামলায় নিজ দেশের জড়িত থাকার কথা জানিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরোঁ বলেন, দুমায় রাসায়নিক হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকজন নারী-পুরুষ, শিশুকে হত্যা করেছে সিরিয়া। এর জবাবেই এ হামলা।

এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার সিরিয়ার রাজধানী দামাস্কাসে বিস্ফোরণের কথা বলেন। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো নিয়েই এই হামলা বলে জানানো হয়েছে।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের সঙ্গে অপারেশন চালিয়েছে আমেরিকা। যতদিন না সিরিয়া তার রাসায়নিক অস্ত্রের প্রয়োগ থামাবে, ততদিন হামলা চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

গত সপ্তাহে বিষাক্ত গ্যাসের ফলে সিরিয়ায় ৬০ জনের মৃত্যু হয়। তারপরেই এই বিমান হামলার সিদ্ধান্ত নেয় ওই তিনটি দেশ।