ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার : লক্ষ্মীপুরে ওভারব্রীজ জরুরী

Print Friendly, PDF & Email

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার লক্ষ্মীপুর জেলা শহরের উত্তর তেমুহনী চত্বরে ওভারব্রীজ। এবারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রসুলগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা এটি আবিষ্কার করেন। যানজট নিরসন এবং পথচারীদের চলাচলে নিরাপত্তায় সাম্প্রতিক সময়ে ওভারব্রীজটি নির্মাণ করা জরুরী বলে মনে করেন তারা। ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা শীর্ষ সংবাদকে বলেন, উত্তর তেমুহনী চত্বরে কিছুক্ষণ দাঁড়ালে বুঝা যায় রাস্তাটি পারাপারে শিশু, শিক্ষার্থী, নারী এবং বৃদ্ধদের কত ঝুঁকি নিতে হয়। তাছাড়া মজুচৌধুরিহাট নৌ-বন্দরের কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন হলে এ সড়কে বড় বড় যানবাহনের সংখ্যা দিগুণ বেড়ে যাবে। ফলে অনাকাঙ্খিত সড়ক দূর্ঘটনা বেড়ে যাবার আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানায় ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা।

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের তত্ত্বাবধানে এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় লক্ষ্মীপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। চলতি বছরের ৫, ৬ ও ৭ মার্চ এই তিন দিনব্যাপী জেলার ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এবারের স্লোগান ছিল ‘মেধাই সম্পদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই ভবিষ্যৎ’ ।


এ যেন ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার প্রতিযোগিতা। প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্টলে দেখা গেছে নতুন নতুন সব আবিষ্কার। আর প্রত্যেকটি আবিষ্কারেই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ছোঁয়া রয়েছে। যদিও এসব আবিষ্কার এখনই জনজীবনে কোনো প্রভাব ফেলছে না। তবে ভবিষ্যতে এসব আবিষ্কারই বাস্তবে মানুষের জীবনযাত্রার মান আরো উন্নত করে এমনটাই প্রত্যাশা আয়োজক কর্তৃপক্ষের।

ইঞ্জিনিয়ার আরিফ চৌধুরী শুভ শীর্ষ সংবাদকে বলেন, চৌমুহনী-লক্ষ্মীপুর-রায়পুর সড়ক ১৮ ফুট থেকে উন্নীত করে ২৪ ফুট চওড়া করার কাজ চলছে। অন্যদিকে মজুচৌধুরীরহাটে লক্ষ্মীপুরের নৌ-বন্দর স্থাপনের কাজও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রায় ২১ জেলার সহজ যোগাযোগ পথ এটাই। নৌ-বন্দর বাস্তবায়িত হলে এ সড়কে যানবাহনের সংখ্যা আরো বাড়বে। এসব কিছু বিবেচনা করে লক্ষ্মীপুর উত্তর তেমুহনী চত্বরে ওভারব্রীজ নির্মাণ করাটা অযৌক্তিক হবে না বলে মনে করেন তিনি।-আরএইচএ