দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতেই নারীর ক্ষমতায়ন প্রয়োজন : স্পিকার

Print Friendly, PDF & Email

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নারীর মেধা, যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দেশের অর্ধেক জনসমষ্টি নারীদের উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে পারলেই উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সহজ হবে।

আজ সোমবার ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০১৮ উপলক্ষে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, নারীদের মেধা যথাযথভাবে বিকশিত করলে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম সফল হবে। নারী ক্ষমতায়ন আজ দৃশ্যমান। বাংলাদেশে সকল পেশায় আজ নারীরা এগিয়ে এসেছে। দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতেই নারীর ক্ষমতায়ন প্রয়োজন।

নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন খুবই জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীরা অংশ নিতে পারলেই নারীর ক্ষমতায়ন ফলপ্রসু হবে।

সেবা খাতকে নারী বান্ধব করার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্পিকার বলেন, নারীর জন্য চাই অনুকূল কর্মপরিবেশ। কর্মজীবি নারীদের জন্য হোস্টেল সুবিধা ও নিরাপদ স্বাস্থ্য এবং নিরাপদ প্রসবসহ বেসরকারী খাতেও নারীদের জন্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির ওপর তিনি তাগিদ দেন।

স্পিকার বলেন, রাজনীতিতেও নারীরা আজ পিছিয়ে নেই। সংরক্ষিত আসনের পাশাপাশি সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমেও নারীরা সংসদে আসছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ ও নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টি প্রাধান্য দিয়েই বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন করেছিলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে নারী বান্ধব আইন ও নীতি প্রণয়নের ফলে নারী উন্নয়ন এবং ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে রোল মডেল। দৃঢ় মনোবল ও প্রত্যয় নিয়ে নারীরা এগিয়ে গেলে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। নারীর অগ্রগতির ইতিবাচক ফল শুধুমাত্র নারীই নয় সমাজের সকলেই ভোগ করবে। এক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তি ও ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলো ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি করার উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ, ড. ফাহমিদা খাতুন এবং ইউনিভার্সিটির প্রো ভিসি প্রফেসর ড. ফখরুল আলম।