রোজায় যত ধরনের খেজুর পাওয়া যায়

খেজুর অত্যন্ত সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর একটি ফল। পবিত্র কোরআন ও হাদিসেও খেজুরের কথা বলা হয়েছে। খেজুর শক্তির একটি ভালো উৎস। খেজুর সারাবছর পাওয়া গেলেও রমজান মাসে এর চাহিদা বহুগুণে বেড়ে যায়। রোজাদাররাও খেজুর দিয়ে ইফতারি করতে বেশি পছন্দ করেন। বাংলাদেশে এমন অনেক ধরনের খেজুর পাওয়া যায়।

মূলত রমজানের ১৫ দিন আগে শবেবরাতের পর থেকেই বাজারে বিভিন্ন ধরনের খেজুর দেখা যায়। তাহলে জেনে নিন দেশের বাজারে রমজানে কী কী খেজুর বেশি দেখা যায়-

আজওয়া খেজুর

খেজুরের মধ্যে দামি ও সর্বোত্তম হলো আজওয়া। পুষ্টি ও মানের দিক থেকেও সবার ওপরে এটি। আজওয়া দেখতে কালো ও মাঝারি আকৃতির। মদিনায় এ খেজুরের ফলন বেশি।

আম্বার খেজুর

আকারে সবচেয়ে বড় খেজুরটির নামই ‘আম্বার’। অভিনব স্বাদ, তুলতুলে নরম এবং গাঢ় লাল রঙ্গের এই খেজুরটি আরবদের নিকট ‘আনবারা’ নামেই পরিচিত। খেজুরটির উৎপত্তিস্থল মদিনা মুনাওয়ারাহ। মদিনা থেকেই সারা পৃথিবীতে এর বাজারজাত।

সুগায়ি খেজুর

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সুগায়ি খেজুরের জনপ্রিয়তা বেশি। এটি মূলত শুকনো টাইপের খেজুর। এর গোড়ার দিকে সোনালি এবং কিছুটা শুকনো থাকে, তবে তাদের দেহের বাকি অংশ বাদামি এবং নরম। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এগুলো কেবল সুস্বাদু।

মরিয়ম খেজুর

মরিয়ম খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে। পুষ্টির দিক থেকেও খেজুরে রয়েছে সবধরনের প্রয়োজনীয় খাদ্যোপাদান। তাই সারাদিন রোজা পালনের পর মুসুল্লিদের ইফতারে থাকে এই সুস্বাদু ফলটি।

এ ছাড়া মাবরুম, সুকারি, মাশরুক, শুককারি, ছড়া, ছক্কা, মাজদুল, ম্যাকজুয়েল, জিদাহি, সায়ের, কালমি, মাসরুক, বাটি, মাবরুল, আদম, কিমি, দাবাস, বিভিন্ন নামের খেজুর পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো তথা মরুভূমিতে খেজুরের ফলন বেশি হয়ে থাকে। দুবাই, সৌদি আরব, ইরাক, ইরান, মিসর, তিউনিসিয়া ও আলজেরিয়া এলাকা থেকে খেজুরের আমদানি বেশি। তবে সৌদি আরব ও ইরাকের খেজুর বিশ্ববিখ্যাত।

Print Friendly, PDF & Email