ঐতিহাসিক সফর শেষ করলো অস্ট্রেলিয়া

ঢাকা : দীর্ঘ ২৪ বছর পর পাকিস্তান সফর করে অস্ট্রেলিয়া। এই সফরে গিয়ে টেস্ট সিরিজ জেতার পর ওয়ানডেতেও শুরুটা ভালো হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার। তবে শেষ দুই ম্যাচ হেরে খোয়াতে হয় সিরিজের শিরোপা। সেই হতাশা ভুলে সফরের একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে অ্যারন ফিঞ্চের দল।

মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) রাতে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে অধিনায়ক বাবর আজমের ব্যাটে চড়ে ১৬২ রানের সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। জবাবে অসি অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চও হাঁকান ফিফটি। যার সুবাদে ইনিংসের পাঁচ বল বাকি থাকতেই তার দল পায় ৩ উইকেটের জয়।

পাকিস্তানের দেওয়া ১৬৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত সূচনাই পায় অস্ট্রেলিয়া। পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারেই তারা করে ফেলে ১ উইকেটে ৬৩ রান। বাঁহাতি ওপেনার ট্রাভিস হেড আউট হন ১৪ বলে ২৬ রান করে। পরে তিন নম্বরে নামা জশ ইংলিস খেলেন ১৫ বলে ২৪ রানের ইনিংস।

যার ফলে প্রথম ১০ ওভারেই ৯৫ রান পেয়ে যায় অসিরা। একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকেন ফিঞ্চ। তবে হতাশ করেন কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে অভিষিক্ত মার্নাস লাবুশেন। তার ব্যাট থেকে আসে ৪ রান। এরপর ৫ চারের মারে মাত্র ৯ বলে ২৩ রান করে দলকে আরও এগিয়ে দেন মার্কাস স্টয়নিস।

পরপর দুই ওভারে স্টয়নিস ও আরেক অভিষিক্ত ক্যামেরন গ্রিনকে (২) ফিরিয়ে ম্যাচে উত্তেজনা আনেন মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র। কিন্তু অ্যারন ফিঞ্চের ঠাণ্ডা মাথার ব্যাটিংয়ে সহজেই জয় পেয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ফিঞ্চের ব্যাট থেকে আসে ৪৫ বলে ৫৫ রান। শেষ দিকে বেন ম্যাকডারমট করেন ১৯ বলে ২২ রান।

এর আগে পাকিস্তানের শুরুটাও ছিল আশা জাগানিয়া। উদ্বোধনী জুটিতে ৬৭ রান যোগ করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম। অষ্টম ওভারে সাজঘরে ফেরার আগে ১৯ বলে ২৩ রান করেন রিজওয়ান। বাবর আউট হন ১৬তম ওভারে। তার ব্যাট থেকে আসে ৪৬ বলে ৬৬ রান।

এছাড়া খুশদিল শাহ ১৮ বলে ২৪, ইফতিখার আহমেদ ১৩ বলে ১৩ ও শেষ দিকে ৬ বলে ১৮ রানের ঝড়ো ক্যামিও খেলেন উসমান কাদির। মূলত উসমান কাদিরের এই ক্যামিওতেই দেড়শ ছাড়িয়ে যায় পাকিস্তান। তবু এটি স্বাগতিকদের জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে বল হাতে একাই ৪ উইকেট নেন নাথান এলিস। এছাড়া ক্যামেরন গ্রিনের শিকার ২ উইকেট।

Print Friendly, PDF & Email