গ্রেপ্তার হওয়ার আগে পরীমনির বিষয়ে যা বললেন নাসির

ঢাকা: এবার পরীমণির বিষয়ে মুখ খুললেন আবাসন ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘ঢাকা বোট ক্লাব থেকে দামি ড্রিংস (মদ) জোর করে নেয়ার চেষ্টা করেছিলো পরীমনি ও তার সহযোগীরা। তারা তো আমাদের ক্লাবের মেম্বার না। তাই আমি তাদের নিতে দেইনি। এ কারণে তাকে আমি বাধা দিয়েছি এবং বলেছি যে- এটা নেয়া যাবে না। নিতে হলে অবশ্যই তোমাদেরকে মেম্বার হতে হবে।

Haque Milk Chocolate Digestive Biscuit

ক্লাবের মেম্বার ছাড়া ওই মদ যে কারো কাছে বিক্রয়যোগ্য নয় উল্লেখ করে নাসির বলেন, ‘আমি তাকে (পরীমণিকে) বলেছি- এটা বিক্রয়যোগ্য না। তাছাড়া এতো রাতে আমাদের বার ক্লোজড্। তাই কোনোভাবেই সম্ভব না। তবে তার আগেই কোথা থেকে যেনো পরীমণি মদ পান করে এসেছিলো। ওই অবস্থাতেই আমাদের কাছে দামি মদ না পেয়ে সে উত্তেজিত হয়ে যায়, আমার উপর চড়াও হয় এবং বারের মধ্যেই একটার পর একটা কাঁচের গ্লাস ভাঙচুর করে। ওই সময়ে আমাকে সে গালিগালাজ করে। তখন আমাদের স্টাফরা তাকে থামানো চেষ্টা করে।

একপর্যায়ে পরীমণির সঙ্গে থাকা ছেলেটা আমাকে চড়-থাপ্পর দেয়। এরমধ্যে পরীমণি আমার দিকে গ্লাস ছুঁড়ে মারলে তা আমার ঘাড়ে এসে লাগে। এমন পরিস্থিতিতে আমি সিকিউরিটিদের নির্দেশ দেই- তাকে সরিয়ে নিতে। তখন সিকিউরিটিরা তাকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। তখন পরীমণি অতিরিক্ত মদ্যপ অবস্থায় ছিলো, যে কারণে সে ঠিকমতো গাড়িতে উঠতে পারছিলো না। এ ঘটনার রেকর্ডও আমাদের সিসি ক্যামেরায় সংরক্ষিত আছে।

পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার আগে ব্যবসায়ী নাসির আরও বলেন, ‘ঘটনার পরের দিনই আমাদের ক্লাবের নিয়ম অনুযায়ী এ বিষয়ে একটি জাজম্যান্ট রিপোর্ট জমা হয়। যেখানে ক্লাবের স্টাফরা ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে। মূলত আমার সাথে তার (পরীমণির) কিছুই হয়নি। ক্লাবের কর্মকর্তা হিসেবে আমি তার (পরীমণির) উশৃঙ্খল আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেছি মাত্র। তাছাড়া এই ঘটনার আগে আমি তাকে চিনতাম না।

উল্লেখ্য, গতকাল রোববার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় পরীমণি তার ভেরিফাইড ফেইসবুক পেজের একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘আমি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। আমাকে রেপ করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।’

Print Friendly, PDF & Email