ঢাকাWednesday , 9 November 2022
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া ও কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গনমাধ্যাম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. ফিচার
  15. ফ্যাশন

উলিপুরে পাটখড়ি আঁটির জমজনাট বেঁচা-কেনা

Link Copied!

কুড়িগ্রামের উলিপুরে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের অনন্তপুর ব্রম্মপুত্র নদের তীরে বেষ্টিত ঘাটে পাটখড়ির জমজমাট পাট খড়ির আঁটি বেঁচা-কেনা। উক্ত ঘাট পাড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগম ঘটে।সরেজমিন উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের অনন্তপুর বাজারে ব্রম্মপুত্রের তীরে বেষ্টিত ঘাটে পাটখড়ির হাট। সেখানে সপ্তাহে দু’দিন শনিবার ও মঙ্গলবার হাট বসে। এছাড়াও প্রতিদিন কম বেশি পাটখড়ির আঁটি বেচা-কেনা হয়। উক্ত ব্রম্মপুত্রের ঘাটে ভেসে উঠা চরের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাটখড়ির আঁটি বেচা-কেনা করার জন্য নিয়ে আসেন। উক্ত ঘাটে কেউ পাট খড়ি জ্বালানী হিসাবে ব্যাবহার করার জন্য ক্রয় করেন আবার কেউ গ্রামে গ্রামে খুচরা হিসাবে বিক্রয় করার জন্য ক্রয় করেন। সেখানে উক্ত হাটবারে হাজার হাজার টাকার পাট খড়ির আঁটি বেচা-কেনা হয়ে থাকে। জানা যায় সেখানে উপজেলা এবং উপজেলার বাহির থেকেও লোক পাট খড়ির আঁটি বেচা-কেনা করতে আসেন বলে জানান তারা।

আরও পড়ুন-  সবজির দাম হাতের লাগালে থাকলেও ঝাঁজ বেড়েছে পেঁয়াজের

উক্ত পাট খড়ি বিক্রেতা বাদশা মিয়া বলেন, আমি প্রায় ২৫ বছর যাবৎ পাট খড়ির আঁটি বেঁচে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। তিনি বলেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পাট খড়ির আঁটি কিনে নিয়ে এসে উক্ত ব্রম্মপুত্রের ঘাটে বিক্রি করে থাকি। তিনি আরও বলেন, এখানে প্রায় ৫০ হাজার টাকার পাট খড়ির আঁটি ক্রয় কিরেছি। সপ্তাহের দু’হাটের মধ্যে এগুলো প্রায় ৬০ হাজার থেকে ৬৫ হাজার টাকা বিক্রি করব। এতে প্রায় লাভ হবে ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা। তিনি বলেন পাট খড়ির আঁটি সারা বছর চাহিদা থেকেই যায়। যে সকল এলাকা থেকে পাট খড়ির আঁটি আসে তা হলো ফেচকের চর, নয়ার হাট, কোদাল কাটির চর, সাহেবের আলগার চর, কাজিয়ার চর ও বড় চর সহ আরও অনেক এলাকা থেকে আসে বলে জানান তারা।

আরও পড়ুন-  কুড়িগ্রামের তিস্তা পাড়ের মানুষের এ দুঃখের শেষ কোথায়?

ক্রয় করতে আসা নুর ইসলাম, সামাদ, জয়নাল, আউয়াল সহ আরও অনেক বলেন, উক্ত ব্রম্মপুত্রের তীরে অনেক পাট খড়ির আঁটি পাইকারী ও খুচরা বিক্রি বেচা-কেনা হয়ে থাকে। আমরা পাইকেরীতে কিনতে এসেছি। আমরা এগুলো আবার খুচরা হিসাবে আঁটি করে গ্রামে গ্রামে বিক্রি করব। তাতে খুচরা বিক্রেতা কয়ছার আলী বলেন, আমি প্রায় ১৫ হাজার টাকার পাট খড়ির আঁটি কিনেছি। প্রতি আঁটি ক্রয় করেছি ৭৫ টাকা কিরে। তা গ্রামে গ্রামে বিক্রি করব ১শ টাকা করে। এখানে আমার লাভ হবে প্রায় ৭ হাজার টাকা। এভাবেই চলে আমার নিত্য দিনের ব্যাবসা।

আরও পড়ুন-  ১১০ বছরের বৃদ্ধ বাবাকে মারধর করলেন ছেলে

উক্ত ব্রম্মপুত্রের তীরে বেষ্টিত অনন্তপুরের ঘাটের ইজারাদার মোকলেছুর রহমান বলেন, বাদশা মিয়া প্রায় ২৫ বছর থেকে উক্ত ঘাটে পাট খড়ির আঁটি বেচা-কেনা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। উক্ত ঘাটে সপ্তাহে দু’দিন হাট বসে। এ দু’দিনে অনেক টাকার পাট খড়ির আঁটি বেচা-কেনা হয়ে থাকে। এখানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পাট খড়ির আঁটি বেচা-কেনা করার জন্য নিয়ে আসেন। আবার কেউ পাইকারি কেউ খুচরাতে ক্রয় করার জন্য উপজেলা বা তার বাহিরের অনেক এলাকা থেকে পাট খড়ির আঁটি কেনার জন্য আসেন। এখানে সুলভ মূল্যে পাট খড়ির আঁটি বেচা-কেনা হয় বলে জানান তিনি।”

শীর্ষসংবাদ/নয়ন

biggapon বিজ্ঞাপন

Share this...

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
ঢাকা অফিসঃ ১৬৭/১২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল ঢাকা- ১০০০ আঞ্চলিক অফিস : উত্তর তেমুহনী সদর, লক্ষ্মীপুর ৩৭০০