মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ষোলটাকা ইউনিয়ন থেকে সাবিনা খাতুন (২৭) নামের এক নববধূর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এঘটনায় নিহতের স্বামী বিদ্যুৎ হোসেন পলাতক রয়েছেন।বুধবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে ইউনিয়নের কুঞ্জুনগর গ্রামের বসত ঘর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
এদিকে ঐ নববধূর স্বামী বিদ্যুত হোসেন পলাতক রয়েছে। নিহত সাবিনা কুঞ্জুনগর গ্রামের বিদ্যুত হোসেনের স্ত্রী ও একই উপজেলার কুমারীডাঙ্গা গ্রামের আব্দুস সাত্তারের মেয়ে।
আরও পড়ুন- ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংঃ উলিপুরে সর্বনাশ করেছে ধানচাষীদের
বিদ্যুৎ ও সাবিনার গত ১ মাস আগে পারিবারিক সম্মতিতে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে নানান বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মানোমালিন্য চলছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যারাতে সাবিনার বাবার পরিবারের লোকজন তাদের মনোমালিন্য বিষয়টি মিমাংসা করে চলে যায়। পরের দিন বুধবার সকালে প্রতিবেশীরা স্বামীর ঘরে সাবিনার রক্তাক্ত লাশ দেখতে পায়। ধারণা করা হচ্ছে, সাবিনার স্বামী বিদ্যুত হোসেন তাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মেহেরপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা আরও জানান, বিদ্যুত গত ৪ বছরে ৫টি বিয়ে করেন। প্রথম মেহেরপুর সদর উপজেলার রাজনগর গ্রামের আখি খাতুনের সাথে বিয়ে হয় বিদ্যুত হােসেনের। দ্বিতীয় বিয়ে হয় গাংনী উপজেলার ধর্মচাকী গ্রামের ইসমত আরা খাতুনের সাথে। তৃতীয় বিয়ে হয় একই উপজেলার সহড়াবাড়িয়া গ্রামের কবিতা খাতুনের সাথে। এ ছাড়াও চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা এলাকার জান্নাতুলের সাথে চতুর্থ। এবং সর্বশেষ সাবিনার সাথে তার পঞ্চম বিয়ে।
গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং জানিয়েছেন, গাংনী থানা পুলিশের একটিদল লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মেহেরপুর মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের স্বামী বিদ্যুত এখনো পলাতক আছে।





