ঢাকাSaturday , 1 October 2022
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া ও কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গনমাধ্যাম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. ফিচার
  15. ফ্যাশন

লক্ষ্মীপুরে অধিকাংশ বিদ্যালয়ের হাজিরা মেশিন অকেজো

Link Copied!

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য প্রায় ২২ লাখ টাকায় কেনা ডিজিটাল হাজিরা মেশিন দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। ‘মানহীনতার’ অভিযোগ তুলে শিক্ষকদের অনেকে বলছেন, ব্যবহার না করায় অধিকাংশ মেশিন বিকল আছে। এছাড়াও উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে (২৬টি স্কুল এবং ২১টি মাদরাসা) কোন ডিজিটাল মেশিন নাই। সরকারের কোন নির্দেশনা না থাকায় তা কেনা ও ব্যবহার করা হচ্ছেনা বলে জানান মাধ্যমিক সুপারভাইজার মোঃ মাইনুদ্দিন।

তাছাড়া কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয় বরাদ্দ পেয়েও মেশিন স্থাপন করেনি। এতে প্রকল্পটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা বলছেন, সরকারের এ কর্মসূচির পুরোটাই ভেস্তে গেছে।
যদিও অনেক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দাবি, জাতীয়ভাবে ব্যবহার না হওয়ায় তারাও ব্যবহার করছেন না। শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় পর্যবেক্ষণে এসব মেশিনবসানো হয়।

এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান লক্ষ্মীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।

বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ডিজিটাল হাজিরা মেশিনগুলো অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু এসব বিদ্যালয়েই নয়, পুরো জেলার ১৮’শ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকটি বাদে প্রায় সব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য কেনা প্রতিটি ১৮ হাজার টাকার ডিজিটাল হাজিরা মেশিন কেনা হয়। রায়পুরে সরকারি ১২১টি স্কুলের জন্য শিক্ষকদের দৈনিক হাজিরা মেশিনে পর্যবেক্ষণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সেগুলো বসানোর নির্দেশ দেয় হয়। উপজেলায় গত এক বছর ধরে শিক্ষা কর্মকর্তা, দুইজন সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা, ২৪ জন প্রধান শিক্ষক এবং ৫২জন সহকারি শিক্ষক নেই।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় থেকে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের কক্ষে হাজিরা মেশিনগুলো স্থাপন করা হয়। বার্ষিক ‘স্লিপ ফান্ডের’ খরচ থেকে প্রতিটি ১৮ হাজার ৫০০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয়ে মেশিনগুলো বসানো হয়েছিল।

চর ইন্দ্রুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসিনা বেগম বলেন, “২০১৮-১৯ অর্থ বছরে আমাদের স্কুলে ‘স্লিপের’ ৪০ হাজার টাকা থেকে এ ডিজিটাল হাজিরা মেশিন কেনার কথা ছিল। বিদ্যুৎ না থাকার কারণে আমি সেটি অন্য কাজে ব্যবহার করেছি।”

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলার বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা বলেন, উপজেলার সব বিদ্যালয়ে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন বসানোর জন্য প্রায় ১৭/১৮ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছিল; যেন শিক্ষার মান উন্নয়ন হয়। বর্তমানে সব মেশিনই নষ্ট।

সরেজমিনে রায়পুর পৌরসভার শ্টেশন মডেল ও উত্তর কেরোয়া ও লামছরিসহ কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের কক্ষের দেয়ালে ডিজিটাল হাজিরা মেশিনটি দেখা গেলেও সেটি সচল ছিল না। প্রধান শিক্ষক প্রশিক্ষনে।।

শায়েস্তানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়য়ের প্রধান শিক্ষক সামছুদ্দিন আহম্মেদ বলেন, “আমাদের ডিজিটাল হাজিরা মেশিনটি একটি কক্ষের দেয়ালে বসানো আছে। জাতীয়ভাবে ব্যবহার না করার কারণে আমরাও ব্যবহার করি না। তাই মেশিনটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে।”

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, অনেক শিক্ষক বিদ্যালয়ে আসতে দেরি করেন। অনেকে দুপুরে ছুটি দিয়ে দেন। রয়েছে নানা অনিয়ম। এ জন্য যন্ত্রের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু সফলতা পাওয়া যায়নি।

রায়পুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ( ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ টিপু সুলতান বলেন, “১২১টি স্কুলেই ডিজিটার হাজিরা রয়েছে। করোনার আগেই সরকারের দেয়া সিলিপের ১৮ হাজার টাকা দিয়ে মেশিনগুলো কেনা হয়েছে। সকলে ডিজিটাল মেশিন ব্যবহার করার জন্য গত ১৭ আগষ্টের মাসিক সভায় প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেই সাথে কতটি মেশিন সচল আর কতটি অচল তার তালিকাও চাওয়া হয়েছে। কিন্তু শিক্ষকরা এখনও তা দেননি ।

Share this...

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
ঢাকা অফিসঃ ১৬৭/১২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল ঢাকা- ১০০০ আঞ্চলিক অফিস : উত্তর তেমুহনী সদর, লক্ষ্মীপুর ৩৭০০
Durbar দূর্বার 1st gif ad biggapon animation বিজ্ঞাপন এ্যানিমেশন
  • Social