ঢাকাThursday , 22 September 2022
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া ও কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গনমাধ্যাম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. প্রযুক্তি সংবাদ
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কম্বোডিয়ার বিপক্ষে জয়ের হ্যাটট্রিক বাংলাদেশের

Link Copied!

কম্বোডিয়ার বিপক্ষে ফিফা প্রীতি ম্যাচে ১-০ গোলে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। লাল-সবুজদের হয়ে রাকিব হোসেনের গোলটিই ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেয়। অথচ নমপেনের মরোদোক টেকো জাতীয় স্টেডিয়ামে র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে ছিল স্বাগতিকরাই। যাদের অবস্থান ১৭৪তম। বাংলাদেশ আছে ১৯২তম স্থানে। এই ম্যাচে জেতায় এখন র‌্যাংকিং কিছুটা হলেও বাড়বে লাল-সবুজদের।

কম্বোডিয়ার নমপেনের মরোদোক টেকো জাতীয় স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) ২৪ মিনিটের মাথায় এগিয়ে যায় জামাল ভূঁইয়া বাহিনী। এ সময় ডান প্রান্ত থেকে মতিন মিয়ার পাস ধরে আড়াআড়ি শটে বল জালে জড়ান রাকিব।

দ্বিতীয় হাফেও আক্রমণে এগিয়ে ছিল জামাল ভুঁইয়ারা। প্রতিপক্ষের গোলপোস্টে লক্ষ্য করে বেশ কিছু শট নেয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তবে গোলের দেখা পায়নি। শেষ পর্যন্ত ওই ১-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

ম্যাচের শুরু থেকে বাংলাদেশ সাবধানি ফুটবল খেলতে থাকে। ৪-১-৪-১ ছকে রক্ষণ সামলে আক্রমণে উঠার চেষ্টা করেছে। তাতে ১৪ মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েও বাংলাদেশ কাজে লাগাতে পারেনি। বিশ্বনাথ ঘোষের লম্বা থ্রো-ইন থেকে জামাল ভূঁইয়ার প্লেসিং লক্ষ্যে থাকেনি। অল্পের জন্য বাইরে দিয়ে গেছে।

আরও পড়ুন- চাটমোহরে চুরির ঘটনা বাড়ছে,আতংকিত গৃহকর্তারা

বিপরীতে স্বাগতিক কম্বোডিয়া রানিং ও স্কিলে কিছুটা এগিয়ে থেকেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। ১৯ মিনিটে সুযোগ পায় যদিও। কিন্তু বক্সের প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে সিন কাকাডার ডান পায়ের বুলেট গতির শট গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকো এক হাত দিয়ে কোনও মতে ফিস্ট করে দলকে রক্ষা করেছেন।

শেষ পর্যন্ত ২৩ মিনিটে বাংলাদেশকে উৎসবের উপলক্ষ এনে দেন রাকিব। মধ্যমাঠ থেকে ক্ষিপ্র গতিতে ৩৫ গজ দূরত্ব অতিক্রম করে মতিন মিয়া দারুণ পাস দেন তাকে। বক্সে ঢুকে রাকিব হোসেন দেখেশুনে ডান পায়ের জোরালো শটে গোলকিপারকে পরাস্ত করেছেন। লক্ষ্যভেদ করেই সিআর সেভেনের মতো উদযাপন করেছেন তিনি।

বিরতির পরও বাংলাদেশ খারাপ খেলেনি। একাদশে এনেছে কয়েকটি পরিবর্তন। রিমন হোসেন-সাজ্জাদ হোসেনরা মাঠে নেমেছেন। অভিষেক হয় মিডফিল্ডার সোহেল রানারও। এই অর্ধেও রক্ষণ জমাট রেখে খেলেছে বাংলাদেশ। সুযোগ বুঝে আক্রমণেও গেছে। ম্যাচের ৭৫ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে মতিন মিয়ার ডান পায়ের জোরালো শট ক্রস বারে লেগে ফিরে আসলে ব্যবধান আর বাড়েনি।

কম্বোডিয়া কয়েকবার জিকোর পরীক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করলেও সফল হয়নি। রাকিবের গোলটিই পরে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিয়েছে।

কম্বোডিয়ার বিপক্ষে সবশেষ দেখায় বাংলাদেশের ১-০ ব্যবধানে জয়ের সুখস্মৃতি আছে। যদিও সে ম্যাচের একমাত্র গোলদাতা রবিউল ইসলাম নেই এ দলে। তবে এ নিয়ে কোনো চিন্তা ছিল না বলে ম্যাচের আগে জানিয়েছিল দল।

কম্বোডিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ এর আগে মোট চার ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল। যেখানে জামালদের তিন জয়ের বিপরীতে একটিও হার নেই। ২০০৬ সালে এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে ২-১ গোলে জয় পায় বাংলাদেশ। ২০০৭ সালে পরেরবার দেখায় ১-১ গোলে ড্র হয় ম্যাচটি। পরের দুটি ম্যাচই লাল-সবুজরা জিতে ১-০ গোলের ব্যবধানে।

শীর্ষসংবাদ/নয়ন

biggapon বিজ্ঞাপন

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
ঢাকা অফিসঃ ১৬৭/১২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল ঢাকা- ১০০০ আঞ্চলিক অফিস : উত্তর তেমুহনী সদর, লক্ষ্মীপুর ৩৭০০