ঢাকাThursday , 22 September 2022
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া ও কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গনমাধ্যাম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. প্রযুক্তি সংবাদ
  15. ফিচার

উলিপুরে মাজরা পোকার আক্রমণে অতিষ্ঠ রোপা আমন চাষিরা 

Link Copied!

কুড়িগ্রামের উলিপুরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রোপা আমনে মাজরা সহ অন্যান পোকার আক্রমণে অতিষ্ঠ রোপা আমন চাষিরা। রোপা আমন চারা রোপনের পর থেকে পঁচানী ও কারেন্ট পোকার পর এখন মাজরা পোকার আক্রমণে ফসল ধ্বংসের মুখে। রোপা আমন চাষিরা অনেক আতংকে দিনাপাত করছেন।

রোপা আমন চাষিরা এবার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে চলতি আমন চাষ শুরু করছে। তবে উপজেলার গুনাইগাছ, থেতরাই, দলদলিয়া, বজরা, দুর্গাপুর, ধামশ্রেনী, নাড়িকেলবাড়ি, জুম্মাহাট, সাতদরগাহ, মন্ডলেরহাট, আপুয়ারখাতা সহ বিভিন্ন এলাকায় চলতি রোপা আমন ধান ক্ষেতে পোকার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন চাষিরা। বিশেষ করে মাজরা  পোকায় আক্রান্ত হয়ে ধানগাছ মরে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এতে ফলন নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকেরা। অন্যদিকে সমস্যা সমাধানে কৃষি বিভাগ মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং অব্যাহত রেখেছেন।

উপজেলা সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় প্রায় ১৩টি ইউনিয়নের মধ্য রোপা আমন চাষে আক্রান্ত করছে মাজরা পোকা। এলাকায় একের পর এক জমিতে মাজরা পোকার আক্রমণে ফলন্ত ধানের চারা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে জমির প্রায় এক তৃতীয়াংশ ধানগাছ এভাবে আক্রান্ত হয়েছে। যারা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছেন তাদের ফসল কিছুটা রক্ষা পেলেও অনেকের ক্ষেত প্রায় পুরোটাই নষ্ট হওয়ার পথে।

আরও পড়ুন- লক্ষ্মীপুরে ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার উদ্ধোধন

উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের শ্রী হাবলু বলেন, কয়েকদিন তীব্র রোদ কখনো টানা বৃষ্টিতে পড়ার কারণে জমিতে যাওয়া হয়নি। সে সঙ্গে একদিন জমিতে যাওয়ার পরে দেখি মাজারা পোকা আক্রান্ত করেছে। জমিতে কীটনাশক স্প্রে করেও কোন ফল পাইনি। চারা রোপনের পর থেকে নানা সমস্যায় ভুগছি। প্রথম দিকে কারেন্ট পোকার আক্রমণ ঘটে। পরে পাতা মরা ও পঁচানী রোগ দেখা দেয়। এখন শুরু হয়েছে মাজরা পোকার ব্যাপক আক্রমণ। এবার যে হারে মাজরা পোকা ধরেছে, আগে কখনও এমনটা দেখা যায়নি।

একই এলাকার আমজাদ মিয়া বলেন, রোপনের পর থেকে পঁচানী, কারেন্ট পোকা ও এখন মাজরা পোকার আক্রমণে ফসল ধ্বংসের মুখে। ফলন নিয়ে চরম আতঙ্কে আছি।

আব্দুল হাই মিয়া বলেন, গত কয়েকদিন থেকে সারের সমস্যা নিয়ে ঘুরতে ছিলাম। এখন আবার কান্টের পোকা, মাজরা পোকা আমাদের চিন্তা ফেলছে। যে ফসল না পাইলে আমাদের পরিবারের না খেয়ে থাকতে হবে। চাকুরী নেই অন্যকোন কর্ম করতে পারিনা। পুরো বছর কি চাল কিনে খাওয়া যায়। পরিবারের ০৫ জন সদস্য তাদের নিয়ে খুব চিন্তায় পড়তে হবে আমাদের।

উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি। ইউনিয়নভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি উপ-সহকারি কর্মকর্তারদের মনিটরিং এর জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে আমরাও মাঠ পর্যায়ে যাচ্ছি।

কৃষকদের পরামর্শ বিষয়ে বলেন, আমরা তাদের পার্চিং পদ্ধতি (ক্ষেতের মধ্যে গাছ বা বাঁশের ডাল পুতে দিতে বলেছি) ওই ডালে পাখি বসে পোকাগুলোকে খেয়ে ফেলবে। পাশাপাশি জমিতে কিটনাশক স্প্রে করারও পরামর্শ দিচ্ছি।

শীর্ষসংবাদ/নয়ন

biggapon বিজ্ঞাপন

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
ঢাকা অফিসঃ ১৬৭/১২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল ঢাকা- ১০০০ আঞ্চলিক অফিস : উত্তর তেমুহনী সদর, লক্ষ্মীপুর ৩৭০০