ঢাকাMonday , 19 September 2022
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া ও কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গনমাধ্যাম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. প্রযুক্তি সংবাদ
  15. ফিচার

কবুতর পালনে শিক্ষার্থীরা বেশি আগ্রহী; উলিপুরে কবুতর বেচা-কেনা জমজমাট

Link Copied!

কুড়িগ্রামের উলিপরে কবুতরের বাজার জমজমাট। বেচা-কেনায় স্বস্তি ক্রেতা ও বিক্রেতার মাঝে। উপজেলায় উলিপুর বাজার ও দুর্গাপুর বাজারে সপ্তাহে দু’দিন করে বিভিন্ন জাতের কবুতরের হাট বসে। রঙ-বেরঙের নানা প্রজাতির কবুতর নিয়ে আসেন সৌখিন কবুতর প্রেমিকরা সহ কবুতর খামারিরা। কেউ আসেন কিনতে কেউ আবার আসেন বিক্রি করতে। তবে এরা বেশির ভাগই শখের বশে কবুতর পালন করেন।

কবুতর হাটে শিশু, কিশোর, যুবক এমনকি বয়স্করাও আসেন। এদের মধ্যে রয়েছেন বেশির ভাগই শিক্ষার্থী এদের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশার মানুষ। হাটে ১শ’ টাকা থেকে শুরু করে প্রায় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দামের কবুতর মেলে।

সরেজমিন উপজেলার উলিপুর বাজার ও দুর্গাপুর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, কবুতরের বাজার জমজমাট। সেখানে বিভিন্ন শ্রেণির ক্রেতা বিক্রেতা লক্ষ্য করা যায়। বাজার গুলোতে বিভিন্ন ধরনের দেশী-বিদেশী জাতের কবুতর দেখতে পাওয়া যায়। কবুতর গুলোর মধ্যে ব্ল্যাকশাটিল, কালোদোম, ঘিয়াচুন্নী, সিরাজী, সবজি, গিরিবাজ, সবুজগলা, লালবোম্বাই, শুয়াচন্দন, চিল্লা, চুইন্না, টেডি, ক্যাপাসিটার, রেসার, ব্ল্যাক রেসার, আউল, বিউটি হোমা, বাগদাদী হোমা, পুতুল গইরাসহ বিভিন্ন ধরনের দেশী কবুতর।

উপজেলার সৌখিন কবুতর প্রেমিকদের জন্য একমাত্র কবুতর হাটগুলো জমজমাট হয়ে উঠে। উক্ত কবুতরের হাটে কেউ আসেন কিনতে আবার কেউ আসেন বিক্রি করতে। বাজার গুলোতে কবুতরের আমাদানি বেশি হওয়ায় ক্রেতার পাশাপাশি পাইকারের চাহিদা অনেক বেশি দেখা যায়।

আরও পড়ুন- ঝালকাঠির ৫ নদীর মোহনায় ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’

উপজেলার উলিপুর বাজারের কবুতর প্রেমিক রবিউল জানান, প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার এই হাটে অনেক কবুতর আসে। এখানে অনেক কমদামে বিভিন্ন বাহারী কবুতর পাওয়া যায়। তাই সোমবার ও বৃহস্পতিবার হলেই এখানে চলে আসি কবুতর কেনার জন্য।

ধরনিবাড়ি ইউনিয়নে তেলিয়াপাড়া গ্রামের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ১৪ বছরের কিশোর কবুতর প্রেমিক আতিকুর রহমান জানান, আমি আজ এখানে এসেছি কবুতর বিক্রি করার জন্য। আমার এই কবুতরের নাম হচ্ছে লক্ষা যাকে অনেকে গিরিবাজ বলেও চিনে। এ কবুতরের দাম ১ হাজার টাকা চাচ্ছি ৯শ’ টাকা হলে বিক্রি করবো। আমার কাছে কিছু কবুতর আছে যাকে লালচিড়া নামে সবাই চিনে। পরিচিত এ কবুতর ৪ হাজার টাকা করে দাম চাচ্ছি তবে সাড়ে ৩ হাজার টাকা হলে বিক্রি করবো। আমি শখের বিষয়ে কবুতর লালন পালন করে থাকি।

কবুতর ক্রয় করতে আসা সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাকিল আহমেদ বলেন, আমি উপজেলার মহির পন্ডিত উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ি। পড়াশোনার পাশাপাশি কবুতর পালন করি। কবুতরকে খাওয়াতে অনেক ভালো লাগে তাই এদের প্রতি অনেক মায়া লেগেই থাকে। এ সকল কবুতর পালন করতে পড়াশোনার কোন সমস্যা হয় না বলে সে জানায়।

কবুতর ব্যবসায়ী আলম মিয়া জানান, আমার কাছে কালদোম, লক্ষা, শিরাজী,ক্যাপাসিডার, বোম্বাইসহ অনেক ধরণের কবুতর আছে। বর্তমানে আমার কাছে ৮শ’ কবুতর আছে এ কবুতর আমি লালন-পালন করে বিক্রি করি।
তিনি আরও বলেন, প্রতি হাটে আমি ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার দেশি-বিদেশি কবুতর ক্রয় করি। তা আবার ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা বিক্রি করি। এতে আমার চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা লাভ হয়।

উলিপুর বাজারের কবুতরের হাট ইজারাদার নজরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান হাটে দেশি-বিদেশি অনেক কবুতর বেচা-কেনা হয়। এই হাটে ছাত্র, যুবক সহ বৃদ্ধ বয়সের লোক বেশি লক্ষ্য করা যায়। তবে বেশিরভাগ ছাত্ররাই কবুতর পালনের দিকে ঝুকছে বেশি। কারন তারা বিশেষ করে শখের বিষয়ে কবুতর পালেন করে থাকেন।
এখনে অনেক বেশি কবুতর নিয়ে আসার বিষয়ে তিনি বলেন এখানে অনেক কম টাকা খাজনা নেয়া হয়। এজন্য দিন দিন কবুতরের হাট ব্যাপক প্রশার পাচ্ছে। শখের বশে অনেকে কবুতর পালন করে যেমন প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখছেন, পাশাপাশি তারা আর্থিকভাবেও লাভবান হচ্ছেন।”

শীর্ষসংবাদ/নয়ন

biggapon বিজ্ঞাপন

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
ঢাকা অফিসঃ ১৬৭/১২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল ঢাকা- ১০০০ আঞ্চলিক অফিস : উত্তর তেমুহনী সদর, লক্ষ্মীপুর ৩৭০০