ঢাকাSaturday , 17 September 2022
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থ ও বাণিজ্য
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া ও কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গনমাধ্যাম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. প্রযুক্তি সংবাদ
  15. ফিচার

উলিপুরে গবাদি পশুতে ছড়াচ্ছে লাম্পি স্কিন, চারটি গরুর মৃত্যু

Link Copied!

কুড়িগ্রামের উলিপুরে গবাদিপশুর মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে লাম্পি স্কিন ডিজিজ। গত কয়েক দিনে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে দলদলিয়া, বজরা ও মাঝবিল এলাকায় অন্তত চারটি গরুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, এক প্রকার পক্স ভাইরাস বা এলএসডি ভাইরাসের সংক্রমণে গবাদিপশুতে এই রোগ দেখা দেয়। এই রোগ গরু থেকে আরেক গরুতে ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগে গরুর চামড়ার উপরিভাগে শরীরজুড়ে গোটা সৃষ্টি হয়। সাধারণত বর্ষার শেষে, শরতের শুরুতে অথবা বসন্তের শুরুতে মশা-মাছির কামড়ে এই প্রাণঘাতী রোগ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। দু‌ধ ও লালার মাধ্যমেও এ‌টি আক্রান্ত গরু বা ম‌হিষ থে‌কে বাছু‌রে ছড়া‌তে পা‌রে। এর চিকিৎসায় এখনও সুনির্দিষ্ট কোনও টিকা আমাদের দেশে আসেনি। ত‌বে ভয়ের কোনো কারণ নেই; কেনোনা এ রোগে মানু‌ষ আক্রান্ত হয় না।

উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম বলেন, আমার এলাকায় অনেক গরুর মধ্যে লাম্পি স্কিন ডিজিজ দেখা দিয়েছে। আমি নিজেও এই এলাকায় পশুর চিকিৎসা করি। অনেকে আমার কাছে আক্রান্ত পশু নিয়ে এসে চিকিৎসা নিয়েছেন। মশালের চর এলাকা থেকে এক ব্যক্তি আক্রান্ত গরু নিয়ে এসেছিলেন। চরাঞ্চলের গরুও এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
ঐ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের নজর বাদশার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম বলেন, “প্রায় এক মাস ধরে দুটি গরুর গায়ে এই রোগ দেখা দিছে। অনেক টাকা খরচ করি চিকিৎসা করিয়াও ভালো হইতেছে না। এখন আর চিকিৎসা করতেছি না। ইয়ার মধ্যে গরুর পায়ের খুরাত ঘা হইছে। হলুদ-টলুদ দিয়া রাখতেছি।”

আরও পড়ুন- শঙ্কামুক্ত নন মীরাক্কেলের রনিঃ চিকিৎসক

একই গ্রামের রেজিয়া বেগম বলেন, ‘‘বাছুরের গায়ে গোটা উঠছে। সফি মেম্বারের কাছে ওষুধ নিয়া চিকিৎসা করাইছি, কিন্তু গোটা ভালো হয় নাই। এখন মেম্বার আর ওষুধ দেয় না। বলছে গোটা ফুটি না বেড়াইলে আর ওষুধ দেওয়া যাবার নয়। এলা বাছুরটা অমনে আছে।”

উলিপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রেজওয়ানুর হক জানান, গত তিন চার মাসে উপজেলায় অন্তত সাত থেকে আটশ গরু এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে। চিকিৎসায় অনেক গরু সুস্থ্য হয়েছে। এখনও এই রোগে গবাদিপশু আক্রান্ত হচ্ছে। আমরা আক্রান্তের খবর পেলে ওইসব এলাকায় ভ্যাকসিন কার্যক্রম পরিচালনা করি। এই রোগ প্রতিরোধে আমরা ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। আর আক্রান্ত পশুর জন্য আমরা লক্ষণভিত্তিক সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা দিচ্ছি। পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করারও চেষ্টা করছি। যারা আমাদের কাছে না এসে গ্রামের চিকিৎসক কিংবা কবিরাজের কাছে চিকিৎসা নিয়েছেন, তাদের অনেকের গরু মারা গিয়ে থাকতে পারে। তবে আমাদের কাছে সেই তথ্য নেই। তবে আগামী দুই-এক মাসের মধ্যে শীত এলে এমনিতেই এর প্রাদুর্ভাব কমে আসবে।

শীর্ষসংবাদ/নয়ন

biggapon বিজ্ঞাপন

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
ঢাকা অফিসঃ ১৬৭/১২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল ঢাকা- ১০০০ আঞ্চলিক অফিস : উত্তর তেমুহনী সদর, লক্ষ্মীপুর ৩৭০০