ঢাকাFriday , 16 September 2022
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া ও কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গনমাধ্যাম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. প্রযুক্তি সংবাদ
  15. ফিচার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দেশে সাড়ে ১১ লাখ টন চালের ঘাটতি হতে পারে

Link Copied!

২০২২-২৩ বাণিজ্য বছরে দেশে চাল ও গমের রেকর্ড ঘাটতি হতে পারে। এ দুটি পণ্যে ভোগ ও উৎপাদনে পার্থক্য থাকবে ৮৫ লাখ ৫০ হাজার টন। এর মধ্যে চালে ঘাটতি হতে পারে ১১ লাখ ৫০ হাজার টন আর গমে ৭৪ লাখ টন।গত বাণিজ্য বছরের তুলনায় চলতি বাণিজ্য বছরে চাল ও গমের উৎপাদন কমে যাওয়া, ভোগ ও চাহিদা বৃদ্ধির কারণে দেশে এবার চাল ও গমের আমদানি হতে পারে প্রায় ৯০ লাখ টন।

যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক কৃষি সেবা বিভাগের ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাগ্রিকালচারের (ইউএসডিএ) গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ‘গ্রেইনঃ ওয়ার্ল্ড মার্কেটস অ্যান্ড ট্রেড’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ইউএসডিএর হিসাবে, ২০২২-২৩ বাণিজ্য বছর বলতে ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বিবেচনায় নিয়ে থাকে। চলতি ২০২২-২৩ বাণিজ্য বছরে ছাঁটাই চাল (মিলড রাইস) উৎপাদন হবে তিন কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার টন, যা ২০২১-২২ অর্থবছরের তুলনায় প্রায় দুই লাখ টন কম। চালের উৎপাদন কমার শঙ্কার মধ্যে বাড়বে চালের ভোগ। চলতি অর্থবছরের চালের ভোগ দাঁড়াবে তিন কোটি ৬৮ লাখ টন। ভোগের পরিমাণ ২০২১-২২ বাণিজ্য বছরের তুলনায় তিন লাখ টন বেড়ে যাবে। এতে একদিকে চালের উৎপাদন কমে যাওয়া, অন্যদিকে চালের ভোগ বাড়ার কারণে দেশে চালের ব্যাপক ঘাটতি দেখা দেবে। দেশে এবার চালের ঘাটতি হবে প্রায় ১১ লাখ ৫০ হাজার টন।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চালের মজুদ বাড়াতে এবং দেশের বাজারে চালের দাম কমিয়ে আনতে দুই দফায় শুল্ক হার কমানো হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে প্রায় ২২ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ২২ জুন চাল আমদানি শুল্ক ও করভার ৬২ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশে আনা হয়। এর মাধ্যমে বেসরকারিভাবে প্রায় ১০ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়। অন্যদিকে ২৮ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় শুল্ক ও করভার ২৫ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশে আনা হয়।
সরকারি পর্যায়ে প্রায় ১২ লাখ টন চাল আমদানি করা হতে পারে। এর মধ্যে ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে ৯ লাখ টন চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন- লন্ডন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্লেষকরা বলছেন, কোনো পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি মানেই ঘাটতির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। কয়েক মাস ধরেই চালের দাম বাড়তির দিকে। জনপ্রতি চালের যে ভোগ দেখানো হচ্ছে, এতে উৎপাদনের তথ্য অনুযায়ী চাল উদ্বৃত্ত থাকার কথা। কিন্তু বাজার তথ্য সেটি বলছে না। ফলে উৎপাদন বা ভোগের তথ্যে গরমিল রয়েছে। পাশাপাশি চাহিদা নির্ধারণে জনসংখ্যার সঠিক তথ্য থাকা প্রয়োজন। জনসংখ্যার সঠিক তথ্য না থাকলে চাহিদা নির্ধারণ করা কঠিন হবে। তাই বাজার তথ্যের সঙ্গে সরকারের প্রকাশিত সব তথ্যের সংগতিপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন। তা না হলে নীতি প্রণয়নে বিশেষ করে চাল আমদানি কিংবা রপ্তানির বিষয়ে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া মুশকিল হয়ে পড়বে।

জুলাই মাসে প্রকাশিত ইউএসডিএর গ্লোবাল অ্যাগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, দেশে এবার গমের চাহিদা হবে ৮৫ লাখ টন। সেখানে দেশে উৎপাদন হবে ১২ লাখ টন। চাহিদার বড় অংশই থাকবে আমদানিনির্ভর। ফলে চলতি বাণিজ্য বছরে প্রায় ৭০ লাখ টন গম আমদানির প্রয়োজন হবে।
এ বিষয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক শামসুল আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দেশে খাদ্যশস্যের মজুদ পরিস্থিতি সন্তোষজনক। বাড়তি সতর্কতার জন্য চালে শুল্ক কমানোর মাধ্যমে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এতে বাজারে মূল্যবৃদ্ধির যে প্রবণতা, সেটি কমে আসবে। বিলম্বিত বন্যা না হলে আমন উৎপাদন আমরা পেয়ে যাব। তবে কৃষিপণ্যের উৎপাদনের এবং মূল্যবিষয়ক তথ্য বেশ সংবেদনশীল। ফলে প্রকৃত উৎপাদনের তথ্য জানা প্রয়োজন। এ জন্য সব ধরনের তথ্য প্রকাশের বিষয়টি শুধু বিবিএস দেখতে পারে। তাহলে জটিলতা কমে যেতে পারে।’

শীর্ষসংবাদ/নয়ন

biggapon বিজ্ঞাপন

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
ঢাকা অফিসঃ ১৬৭/১২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল ঢাকা- ১০০০ আঞ্চলিক অফিস : উত্তর তেমুহনী সদর, লক্ষ্মীপুর ৩৭০০