গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অন্যান্য
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. ফিচার
  15. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  16. বিনোদন
  17. বিশেষ প্রতিবেদন
  18. রাজনীতি
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. শেখ হাসিনার পতন
  21. সম্পাদকীয়
  22. সারাদেশ
  23. স্বাস্থ্য
  24. হট আপ নিউজ
  25. হট এক্সলুসিভ
  26. হাই লাইটস

‘বাংলাদেশ কম নিঃসরণকারী হলেও মিথেন নিয়ন্ত্রণে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায়’

নিজস্ব প্রতিবেদক
জানুয়ারি ৬, ২০২৬ ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
  • বাংলাদেশ কম নিঃসরণকারী হলেও মিথেন নিয়ন্ত্রণে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায়

    সংগৃহীত ছবি

Link Copied!

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, দেশীয় পর্যায়ে কিছু খাতে বিশেষ করে কৃষি ও প্রাণিসম্পদে মিথেন ও অন্যান্য গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ ঘটে। তবে এসব খাতে নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাস করার মতো গবেষণা দেশে রয়েছে। মাঠপর্যায়ে এসব গবেষণালব্ধ পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গণে প্রমাণ করতে পারবে যে, স্বল্প নিঃসরণকারী দেশ হয়েও বাংলাদেশ দায়িত্বশীলভাবে মিথেন নিঃসরণ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা ধনী দেশগুলোর জন্যও একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) থেকে বাস্তবায়িত আইওটি বেইজড ৪এফ (ফোরএফ) মডেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে ‘বাংলাদেশের খরা-প্রবল ও উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই জলবায়ু সহিষ্ণু প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সেমিনার এবং ‘৪এফ মডেল’ এর রেপ্লিকা উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, বিএলআরআই জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের সহায়তায় ‘৪এফ মডেল’ ভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ঘাস থেকে পশুখাদ্য, খাদ্য, জ্বালানি (বায়োগ্যাস) ও জৈবসার উৎপাদন সম্ভব হবে, যা ক্ষুদ্র কৃষক পর্যায়েই বাস্তবায়নযোগ্য। এতে একদিকে মিথেন নিঃসরণ কমবে, অন্যদিকে কৃষকের জীবনমান উন্নত হবে।

প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, অনেক দেশ বাংলাদেশে স্বল্পমূল্যে মাংস রপ্তানি করতে চায়। বিদেশে গিয়ে দেখেছি তাদের ডোমেস্টিক মাংসের দাম কম নয়। তারা এলে তাদের প্রাণিসম্পদ ইন্ডাস্ট্রির উদ্বৃত্ত মাংস আমাদের দেশে রপ্তানি করতে চায়। বিদেশ থেকে মাংস আমদানির ক্ষেত্রে নানাবিধ ঝুঁকি রয়েছে।

তিনি বলেন, গরুর মাংস আমদানি করলে দেশীয় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং এতে স্বাস্থ্যঝুঁকিও থাকতে পারে। সাবান-শ্যাম্পুর মতো শিল্পপণ্য হিসেবে উৎপাদিত মাংস নয়, বরং দেশীয় পরিবেশে খাপ খাওয়ানো গবাদিপশুই আমাদের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতে মৌলিক ও নীতিগত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। ইতোমধ্যে এ খাতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার সুফল অদূর ভবিষ্যতে পাওয়া যাবে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) গাজী মো. ওয়ালি-উল-হক। সম্মাননীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক।

জে এম আলী নয়ন

জে এম আলী নয়ন

সাব এডিটর

সর্বমোট নিউজ: 5655

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন
  • আমাদেরকে ফলো করুন…