গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত, নিবন্ধন নং ১১৪
  1. অন্যান্য
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আইন-বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. ফিচার
  15. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  16. বিনোদন
  17. বিশেষ প্রতিবেদন
  18. রাজনীতি
  19. শিক্ষাঙ্গন
  20. শেখ হাসিনার পতন
  21. সম্পাদকীয়
  22. সারাদেশ
  23. স্বাস্থ্য
  24. হট আপ নিউজ
  25. হট এক্সলুসিভ
  26. হাই লাইটস

রায়পুরে গ্রাহকের কয়েক কোটি টাকা নিয়ে উধাও জনতা ব্যাংক কর্মকর্তা

তাবারক হোসেন আজাদ, শীর্ষ সংবাদ
জুলাই ৫, ২০২৪ ১২:২৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে জনতা ব্যাংক শাখার ফয়েজ আহাম্মদ নামের (সেকেন্ড অফিসার ও লোন সেকসান কর্মকর্তা) ৫ দিনের ছুটি নিয়ে কেনাডা চলে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সেই সাথে ব্যাংকের ৫ লাখ ও শতাধিক গ্রাহকের কয়েক কোটি টাকা নিয়ে যাওয়ায় তোলপাড় চলছে। তবে গ্রাহকরা এখন পর্যন্ত লিখিত কোন অভিযোগ না দিলেও প্রতিদিনই ব্যাংক ম্যানেজার ও ফয়েজের বাড়ীতে ধর্না দিচ্ছেন।

এদিকে-৫ লাখ টাকা রীন পরিশোধ না করে ও ছুটি ভোগ করার পরেও ব্যাংকে উপস্থিত না হওয়ায় ফয়েজের মালিকানাধীন বাড়ীর সামনে মার্কেটে নোটিশ লাগিয়েছে ব্যাংক ম্যানেজার। তবে দুই মাসেও তাকে বরখাস্ত করেননি তারা।

ফয়েজ উপজেলার রায়পুর ইউপির দেবিপুর গ্রামে মৃত জয়নাল জমাদারের একমাত্র ছেলে।

ভুক্তভোগী কয়েকজন গ্রাহক জানান, ফয়েজ আহাম্মদ গত ৬ বছর জনতা ব্যাংক রায়পুর শাখার সেকেন্ড অফিসার (৬০টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) ছিলেন। শিক্ষকদের লোন দেয়ার দায়িত্বও দেয়া হয় তাকে। গ্রাহকদের অগোচরে তাদের একাউন্ট থেকে ২ থেকে ১০ লাখ টাকা করে ব্যাংকের সিল-স্বাক্ষর মেরে গ্রাহকদের চেক বই দিতেন। এছাড়াও এভাবে নীজ এলাকাবাসী, আত্নীয়-স্বজন, ব্যাবসায়ী ও প্রবাসীর লাখ লাখ টাকা ব্যাংকে  তাদের অ্যাকাউন্টে জমা না দিয়ে নীজে আত্মসাৎ করেন তিনি।

ভুক্তভোগী রায়পুর ইউপির দেবিপুর গ্রামের সায়েস্তানগর দাখিল মাদরাসা শিক্ষক ও ওষুধ দোকানি রেজোয়ান বলেন, ব্যাংক থেকে একজন অফিসার ফোন দিয়ে বলেন ১০ লাখ টাকার কিস্তি পরিশোধ করছেন না কেন-? এতে আমি হতভাগ হয়ে পাল্টা প্রশ্ন করি কিসের দশ লাখ টাকা কিসের কিস্তি-? তখন অফিসার ফোন কেটে দেন। তখনি বুঝলাম একাউন্ট দিয়ে ওই টাকা উত্তোলন করেছেন ফয়েজ।

শুধু রেজোয়ানই নন শায়েস্তানগর গ্রামের ব্যাবসায়ী জসিম উদ্দিনের এক কোটি, মোঃ নাসির , ব্যাবসায়ী ইব্রাহিম, আলাউদ্দিন সহ শতাধিক গ্রাহকের সাথে প্রতারণা করে মুনাফার লোভ দেখিয়ে প্রায় সাত-আট কোটি টাকা নিয়ে স্ত্রী ও এক সন্তান নিয়ে ক্যানাডা চলে গেছেন। অনেকে বলছেন, ব্যাংক কর্মকর্তা ফয়েজ সবসময় অনলাইনে জমজমাট ডলার ব্যাবসার সাথে জড়িত থাকতেন।

পলাতক ব্যাংক কর্মকর্তা ফয়েজের নানা নজরুল জমাদার বলেন, ফয়েজের স্ত্রী অন্তু ও এক শিশু ছেলেকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় গেছে। ভারত না কেনাডা গেছে তা আমি জানিনা। আমাদের কাছেও বলে যায়নি। ঈদের আগে কথা হয়, আর যোগাযোগ নাই।

এলাকার ১৫-২০ জনসহ অনেক মানুষ আমার কাছে এসে অভিযোগ করেছেন। তবে ফয়েজ ব্যাংক থেকে ৮০ লাখ টাকা লোন নিয়ে বাড়ীর সামনে মার্কেট করে। বৃহস্পতিবার সকালে ব্যাংক থেকে লোকএসে সাইনবোড লাগিয়েছে।

জনতা ব্যাংক রায়পুর শাখার ব্যবস্থাপক তারেক মোহাম্মদ মুছা জানান, লোন অফিসার ফয়েজ আহাম্মদ তার স্ত্রীকে ভারতে চিকিৎসা করাবেন বলে গত (২৬ মে) ৫ দিনের ছুটি নেন। গত এক মাস সে ব্যাংকে আসছেননা। তার কাছে ব্যাক্তিগত ৫ লাখ টাকা লোন পাবেন ব্যাংক।  এজন্য তাকে নোটিশ পাঠানো হয় এবং তার বাড়ীর সামনে মালিকানাধীন পাঁচ কক্ষ বিশিষ্ট মার্কেটের সামনে নোটিশবোর্ড ছাটানো হয়েছে। তবে ব্যাংকের গ্রাহকদের কোন টাকা নেননি বলে দাবি করেন তিনি। ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা শারমিন ভাটের সময়ে একাজ করেন ফয়েজ। আমি দুই মাস হলো যোগদান করি।

সাবেক ব্যাংক ম্যানেজার শারমিন ভাট বলেন, ফয়েজ ব্যাংকের কোন গ্রাহকের টাকা নেননি বলে দাবি করেছেন।

রায়পুর থানার ওসি ইয়াসিন ফারুক মজুমদার জানান, জনতা ব্যাংকে লোন অফিসার ফয়েজ আহাম্মদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ আসলে আইনত ব্যাবস্থা নেয়া হবে

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

সর্বমোট নিউজ: 1081

Share this...
বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি।
আরও দেখুন