ঢাকাSaturday , 3 September 2022
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আবহাওয়া ও কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গনমাধ্যাম
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচন
  13. প্রবাসের খবর
  14. প্রযুক্তি সংবাদ
  15. ফিচার

শেখ হাসিনার ভারত সফর নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ

Link Copied!

‘বহুমুখী’ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে ৫ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এই সফর নিয়ে দুই দেশেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সফর সফল করতে কাজ করছে ঢাকা ও নয়া দিল্লি। ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলোও শেখ হাসিনার সফরের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ৫ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানাবেন এবং তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে।

গত বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য জানান ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন শেখ হাসিনা। তার সঙ্গে দেখা করবেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও।

শেখ হাসিনার সফরের সময় বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, যোগাযোগ, শক্তির মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে একাধিক চুক্তিপত্র সই হওয়ার কথা রয়েছে দুই দেশের মধ্যে। বাগচি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উভয় পক্ষই উচ্চ পর্যায়ের সম্পৃক্ততা বজায় রেখেছে। শেখ হাসিনার আসন্ন সফর দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বহুমুখী সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরে দেশের প্রধান সমস্যা রোহিঙ্গা ইস্যুকে বিশেষ গুরুত্ব দেবে বাংলাদেশ। আনন্দবাজারকে ঢাকার একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতসহ এই গোটা অঞ্চলই রোহিঙ্গা সংকটে আজ না হোক কাল ভুক্তভোগী হবে। তারা নির্বিঘ্নে নিজেদের দেশে ফিরে গেলে ভারতেরও মঙ্গল। ভারত ইদানীং জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে মিয়ানমার প্রশ্নে অনুপস্থিত থাকার কূটনীতি অবলম্বন করেছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, রোহিঙ্গা শুধু বাংলাদেশ নয়, গোটা অঞ্চলের বিপদের কারণ।’

পাশাপাশি বলা হচ্ছে, ভারত থেকে সীমান্ত টপকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছে। ভারতকে অনুরোধ করা হবে, বিষয়টির দিকে নজর রাখার জন্য।

সফরের আগে আগে দীর্ঘ ১২ বছর পর যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক হয়েছে। পররাষ্ট্র, জ্বালানি, স্বরাষ্ট্রসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলো তাদের বৈঠক করে ফেলেছে। সবগুলো বৈঠকের একটি প্রতিফলন এই সফরে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দুই দেশের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। এরমধ্যে সাতটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পানি বণ্টন চুক্তির কাঠামো তৈরির জন্য চিহ্নিত করা হয়। গত কয়েক বছরে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সামগ্রিক কৌশলগত সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে।

বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় ছিল ভারতের সঙ্গে তিস্তা চুক্তি অনুযায়ী পানি বণ্টন। এ বিষয়ে আগ্রহী হলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বাধায় শেষ পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি মোদি সরকার। দেশটির সংবিধান অনুযায়ী দেশের নদীগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার রয়েছে রাজ্যগুলো।

জানা গিয়েছে, যোগাযোগ এবং বাণিজ্য বাড়াতে চাইছে দুই দেশই। ১৯৬৫ এর আগের রেল সংযোগ এবং অন্যান্য সংযোগ পুনরুদ্ধার করতে আগ্রহী ঢাকা ও নয়া দিল্লি। এ নিয়েও দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করতে পারেন।

সীমান্ত হত্যার বিষয়টিও কাঁটার মতো হয়ে রয়েছে সোনালি অধ্যায়ে। এ বারের সফরে বিষয়টিকে গুরুত্ব গিয়ে উপস্থাপিত করতে চাইছে আওয়ামী লীগ সরকার।

সফরকালে সুফি সাধক মঈনুদ্দিন চিশতির দরগাহ পরিদর্শন করতে রাজস্থানের আজমিরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে সোনালি অধ্যায় চলছে’। বর্তমান সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক যেকোনো সময়ের তুলনায় ব্যাপক উচ্চতায় পৌঁছেছে। কূটনীতিকরাও এমন কথা বলে থাকেন। শেখ হাসিনার সফরে দ্বিপাক্ষিক এই সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করবে ঢাকা ও নয়া দিল্লি।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি, আনন্দবাজার।

শীর্ষসংবাদ/নয়ন

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
ঢাকা অফিসঃ ১৬৭/১২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল ঢাকা- ১০০০ আঞ্চলিক অফিস : উত্তর তেমুহনী সদর, লক্ষ্মীপুর ৩৭০০