লক্ষ্মীপুরে কমছে না সবজির দাম

Print Friendly

pic 01

নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরে শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ছে কিন্তু সেই তুলনায় কমছে না সবজির দাম। তবে পাইকারি বাজারে কিছুটা দাম কমলেও খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েনি। বাজারে হরেক রকমের সবজি আসায় ক্রেতারা খুশি হলেও মন খারাফ দাম না কমায়। তবে পাইকাররা বলছেন, দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যেই সবজির দাম কমে যাবে।

লক্ষ্মীপুর পৌর কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, ঢেঁড়স ৭০ টাকা, বেগুন ৫০-৭০ টাকা, টমেটু ১৩০ টাকা, কাচামরিচ ১২০ টাকা, ধনিয়া পাতা ২২০ টাকা, পেপে, মুলা ও লালশাখ ৩০ টাকা, সিম, করলা ও পটোল ৬০ টাকা, শশা ৪০ টাকা, গাজর ১০০ টাকা, কুমড়ো ৫০ টাকা করে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা করে। এছাড়াও মূলা ও পালংসহ বেশ কয়েক ধরনের শীতকালিন শাকও উঠতে দেখা গেছে। তবে দাম আকাশ ছোয়া।

সবজি ক্রেতা সাইম বলেন, বাজারে শীতকালীন সবজি ভরপুর। এখন আমরা বেশিবেশি টাটকা শাক ও সবজি খেতে পারবো। কিন্তু বাড়তি দাম থাকায় বাজারে এসে হিমসিম খেতে হয়।

সবজি বিক্রেতা ইসমাইল হোসেন বলেন, বাজারে নতুন সবজি উঠায় বেচা-বিক্রিতে তোড়জোড় বেড়ে গেছে। এখন ব্যবসায় লাভ ও হচ্ছে বেশি। তবে কিছুদিনের মধ্যে এইদাম পড়ে গেলে আগের অবস্থায় ফিরে যেতে হবে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

অন্য এক বিক্রেতা দাম বেশির বিষয়ে বলেন, সবজিতে ঘাটতি, বেশি পচন ও শ্রমিকের মজুরি বেশি হওয়াতেই একটু বেশি দামে বিক্রি করি। তবে জেলার চাষিদের শীতকালিন সবজি এখনো বাজারে আসেনি আসলে অধিক মূল্যে বিক্রি করা আর সম্ভব হবেনা।
তবে পাইকারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বাজারে নতুন সবজি উঠলে দাম কিছুটা বাড়তি থাকে। সময় গড়াতেই সেই দাম চলে আসে ক্রেতাদের নাগলের মধ্যে।

লক্ষ্মীপুর পৌর কাচামাল ব্যবসায়ি সমিতির সভাপতি এমরান হোসেন বলেন, ব্যবসায়িদের সবজি সবগুলো বিক্রি না হওয়ায় তারা একটু বেশি দামে বিক্রি করে থাকেন। তবে এত বেশি দামে বিক্রি করছেন তা তিনি জানেন না। দাম কমার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যেই জেলার চাষিদের সবজি বাজারে আসতে শুরু করবে তখন আর এ দাম থাকবে না।