লক্ষ্মীপুরে সাত দিনে যত অস্ত্র ও হাইড্রোলিক বোমা উদ্ধার

Print Friendly

123

নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে গত সাত দিনে ৬টি এলজি, ১টি দোনালা বন্দুক, ১টি একনলা বন্দুক, একটি চাপাতি ও ২২ রাউন্ড গুলি এবং ৩০টি হাইড্রোলিক বোমা উদ্ধার করে। এসব ঘটনায় গুলিবিদ্ধ একজনের লাশ উদ্ধার সহ প্রায় ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

y
বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) ভোর রাতে সদর উপজেলা বশিকপুর ইউনিয়নের বালাইশপুর এলাকা থেকে ২টি এলজি, একটি দোনালা বন্দুক, একটি একনলা বন্দুক, ১১টি রাউন্ড গুলি ও ৩০টি হাইড্রোলিক বোমা উদ্ধার করে পুলিশ এ সময় ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসী লাদেন মাসুমের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানায়। নিহত লাদেন মাসুম সদর উপজেলার লাহারকান্দি এলাকার মাওলানা হাফিজ উল্লাহ’র ছেলে।

`ok
চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মোক্তার হোসেন জানান, রাত ৩টার দিকে সদর উপজেলা বালাইশপুর এলাকায় গোলাগুলির শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে যায় টহলরত পুলিশের একটি দল। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।
পরে ওই এলাকার একটি সুপারি বাগান থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সন্ত্রাসী লাদেন মাসুমের লাশ উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও বোমা উদ্ধার করা হয়। নিহত লাদেন মাসুমের বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুর সদর থানা, চন্দ্রগঞ্জ থানা ও কুমিল্লায় ৫টি হত্যা, ৫টি অস্ত্র ও ৮টি চাঁদাবাজিসহ মোট ২৮টি মামলা রয়েছে বলেও পুলিশ জানায়।

22
অপর ঘটনায় বৃহস্পতিবার(২নভেম্বর) ভোর রাতে রামগঞ্জ উপজেলার হানুবাইশ চৌধুরীবাড়ি নামক স্থান থেকে রামগঞ্জ থানা পুলিশ একটি এলজি ও দু’রাউন্ড গুলিসহ মুরাদ হোসেন (২২) নামের এক ডাকাত সদস্যকে আটক করে। মুরাদ উপজেলার লামচর ইউনিয়নের মোরশেদ আলমের ছেলে। এব্যাপারে রামগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

1
৩১ অক্টোবর মঙ্গলবার ভোররাতে রামগঞ্জ উপজেলার করপাড়া ইউনিয়ন থেকে একটি এলজি ও ৯ রাউন্ড গুলিসহ মোঃ সালাহ উদ্দিন (২৫) ও নুর মোহাম্মদ (৪৫)কে আটক করে পুলিশ। মোঃ সালাহ উদ্দিন ৮নম্বর করপাড়াই ইউনিয়নের আজিমপুর গ্রামের এবং নুর মোহাম্মদ মধ্য করপাড়া গ্রামের বাসিন্ধা।

3
২৮ অক্টোবর রামগতি উপজেলা চর আলগী এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি এসএমজি উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

5
গত ২৭ অক্টোবর রাতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রামগঞ্জ উপজেলার ভোলাকোট ইউনিয়নের আথাকরা বাজারে উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বশির আহম্মেদ মানিক সমর্থক ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মহিন ড্রাইভার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়। এতে এমরান ও কবির নামের ২ জন গুলিবিদ্ধসহ ৪ জন আহত হন। এসব ঘটনায় ২৮ অক্টোবর সকালে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তুহিন, আরিফ হোসেন, ছাইয়ান, সুমন, সাইফুল ইসলাম ও পলাশ কে গ্রেফতার করা হয়। এসময় আথাকরা এলাকা থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় একটি এলজি ও একটি চাপাতি উদ্ধার করে পুলিশ।