উইকেটের পেছনে আর দেখা যাবে না মুশফিককে!

Print Friendly

1

চট্টগ্রাম টেস্টে দলের ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন নিয়ে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। নাসিরকে কেনো চারে নামানো হলো, মুমিনুলকে আটে কেনো, চারে কেনো নামলেন না মুশফিক-এরকম কতো কি? অবশ্য নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন মুশফিক। জানিয়েছেন, অধিনায়কত্ব, টপঅর্ডারে ব্যাটিং, কিপিং-৩ দায়িত্ব একসঙ্গে সামলানো কঠিন!এ টেস্টের ২ ইনিংসেই ছয়ে ব্যাটিং করেছেন মুশফিক। অথচ দলের স্বার্থে তার চারে ব্যাটিং করা উচিত ছিল বলে মনে করেন অনেকে। তবে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ১২০ ওভার কিপিংয়ের ধকল সামলে এ টেস্টে চারে ব্যাটিং করা কঠিন ছিল।

তাই দলের সেরা ব্যাটসম্যানের ব্যাটিংটা আরো ভালোভাবে পেতে চিন্তাভাবনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দরকারে তাকে উইকেট কিপিংয়ের গুরুদায়িত্ব থেকে সরানোর ভাবনাও নাকি করছে বোর্ড। অবশ্য এ গুঞ্জনটা চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান জানিয়েছেন, সিনিয়র ক্রিকেটারদের সম্মান করে বোর্ড। তাদের মতামতকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হয়। এ গরমে সারাদিন কিপিং করে চারে ব্যাট করা সত্যিই কঠিন। তবে সিনিয়র ক্রিকেটার ও অধিনায়ক হিসেবে তাকে সর্বপ্রথম দলের স্বার্থ দেখতে হবে। আগেও তাকে টেস্টে শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলানো হয়েছে। সে আমাদের দলের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান তাতে সন্দেহ নেই।ঢাকা টেস্টে দুর্দান্ত কিপিং করেছিলেন মুশফিক। তবে চট্টগ্রাম টেস্টে সেই তাকে পাওয়া যায়নি। শ্রীলঙ্কা সফরে গল টেস্টে শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছিলেন তিনি। এবারো তাকে শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলানোর পরিকল্পনা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবে রূপ নেয়নি।তবে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে মুশফিককে কিপিং থেকে সরানো হতে পারে। আকরাম খানের কথাতেও তারই ইঙ্গিত পাওয়া গেলো। তিনি বলেন, সদ্য শেষ হওয়া সিরিজেও এ পরিকল্পনা ছিল। এ কারণেই লিটন দাসকে দলে রাখা। এবার যখন তার (মুশফিক) মাথায় বিষয়টা এসেছে, তখন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের আগে যা ভালো হয়, সেটাই করা হবে।এক্ষেত্রে মুশফিকের মতামত নেয়া হবে বলেও জানান ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান। তিনি বলেন, ওর সঙ্গে বসেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। দু’পক্ষের মতামতের ভিত্তিতেই সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।  এরই মধ্যে মুশফিক জানিয়েছেন, টিম ম্যানেজমেন্ট যেভাবে চাইবে; সেভাবেই তিনি খেলতে প্রস্তুত।